ডা. সাইদুল ইসলাম এর ছবি

ডা. সাইদুল ইসলামহোমিওপ্যাথি কনসালটেন্ট

ডি এইচ এম এস (বাংলাদেশ হোমিও মেডিকেল কলেজ)

গভঃ রেজিঃ নং-৩২০৫৬

১0+ বছর অভিজ্ঞতা | ১০,০০০+ সফল কেস

চেম্বার

সোহান হোমিও ফার্মেসি, বাংলাদেশ হোমিও মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল এর পাশে,
ওয়ারী, জয়কালী মন্দির, ঢাকা।

অফিস

হাউস ২১/A/B, মেরিগোল্ড টাওয়ার, (লিফট ১০)
মীরহাজিরবাগ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

আমাদের সেবা সমুহ

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার উপকারিতা ও সাধারণ প্রশ্নের উত্তর

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা কেন নেওয়া দরকার?
বর্তমান যুগে চিকিৎসা বিজ্ঞানের নানা শাখার মধ্যে হোমিওপ্যাথি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনেকেই যখন প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হন, তখন হোমিওপ্যাথির প্রতি তাদের আগ্রহ বেড়ে যায়। নিচে হোমিওপ্যাথি গ্রহণের কিছু যুক্তিসঙ্গত কারণ তুলে ধরা হলো: ১. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রায় নেই বললেই চলে হোমিওপ্যাথি ওষুধ সাধারণত প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি এবং অত্যন্ত মৃদু ডোজে প্রয়োগ করা হয়, ফলে এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার আশঙ্কা খুবই কম। শিশু, গর্ভবতী নারী এবং প্রবীণরাও নিরাপদে এই চিকিৎসা নিতে পারেন। ২. রোগের মূল কারণ নিরসনে কাজ করে হোমিওপ্যাথি রোগের উপসর্গ দমন না করে, তার গভীরে গিয়ে মূল কারণ খুঁজে বের করে সেটিকে সারাতে চেষ্টা করে। ফলে রোগের স্থায়ী সমাধান পাওয়া সম্ভব হয়। ৩. ব্যক্তি বিশেষের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা একই রোগে আক্রান্ত দুই ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন হোমিও ওষুধ পেতে পারেন। কারণ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, জীবনযাপন প্রণালী ও ব্যক্তিত্ব বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা নির্ধারণ করে। ৪. দীর্ঘমেয়াদী রোগে কার্যকর ডায়াবেটিস, অ্যালার্জি, হরমোনজনিত সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, মাইগ্রেন, অ্যাজমার মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগগুলোর ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি কার্যকর ও ফলপ্রসূ চিকিৎসা পদ্ধতি হতে পারে। ৫. মানসিক ও আবেগজনিত সমস্যায় সহায়ক ডিপ্রেশন, উদ্বেগ, নিদ্রাহীনতা, আতঙ্কজনিত সমস্যা ইত্যাদি ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি সুফল দিতে পারে। এটি রোগীর মানসিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। উপসংহার: হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানসম্মত ও নিরাপদ একটি বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি। তবে যেকোনো চিকিৎসা গ্রহণের পূর্বে একজন অভিজ্ঞ ও যোগ্য হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সচেতনভাবে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি।
চিকিৎসায় কেন গ্যারান্টি দেইনা??
আরোগ্য করার মালিক একমাত্র আল্লাহ এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। যদি আল্লাহর ইচ্ছা থাকে আমার চিকিৎসায় রোগী আরোগ্য হবে, আল্লাহর ইচ্ছা না থাকলে হলে হবেনা। আমি গ্যারান্টি দেয়ার কে? বলবেন তাহলে আমার চিকিৎসার দরকার কি? হোমিওপ্যাথ হিসেবে আমার কাছে প্রতিটি রোগী আলাদা। কখনও আমার মত হোমিওপ্যাথের কাছে বহুবছর বা বহু যুগের অভিজ্ঞতার কোনই মূল্য নেই। এই অভিজ্ঞতাসমূহ ভুলে ভরা। কোন জাতীয় রোগী কোন নির্দিষ্ট ওষুধে আরোগ্য হয়েছে সেটা ভুলে যেতে বলেছেন হোমিওপ্যাথির জনক হ্যানিম্যান। তাহলে ঐ রকম অভিজ্ঞতার মুল্য কি? এটা মহৎ হবে যদি প্রতিটি ভুল হতে নতুন কিছু শেখা যায়। প্রতিটি রোগীই আমার কাছে চ্যালেঞ্জিং। কারণ, হোমিওপ্যাথ হিসেবে আমি কখনও একটি রোগের নামে চিকিৎসা দেইনা। অনেক রোগীর রোগ এক হতে পারে কিন্তু সার্বিক বিবেচনায় ওষুধ পরিবর্তন হবে — এটাই নিয়ম। চিকিৎসা দিতে হয় সম্পূর্ণ রোগীকে বিবেচনা করে। হোমিও চিকিৎসার জন্য দরকার রোগের স্পষ্ট কারণ, রোগ চাপা দেয় এমন চিকিৎসার বিবরণ, অন্যান্য শারীরিক-মানসিক-আবেগিক লক্ষণ, সাধারণ লক্ষণ ও তাদের স্পষ্ট হ্রাস-বৃদ্ধি ইত্যাদি। সফল চিকিৎসা প্রয়াস হিসেবে রোগীর ব্যক্তিত্ব, তার পছন্দ-অপছন্দ, সময়ের পার্থক্যে লক্ষণের হ্রাস-বৃদ্ধি, আবহাওয়ার পরিবর্তনে লক্ষণের পরিবর্তন, রোগীর রোগের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটায় এমন খাবার-পানীয়, রোগীর জানা রোগের নিশ্চিত কারণ, বংশগত রোগ প্রবণতা, রোগীর জীবনযাত্রার স্টাইল, রোগীর পেশা, পারিবারিক সম্পর্ক ইত্যাদি কিছুই বিশ্লেষণের বাইরে থাকেনা। এ কথাটা বুঝতে হবে, হোমিওপ্যাথ কখনও এ্যালোপাথিক ডক্টরের মত রোগ লক্ষণ তাৎক্ষণিক উপশমের নামে চাপা দেন না এবং হোমিও চিকিৎসায় কখনও একটি রোগের চিকিৎসা দিতে গিয়ে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে আরও জটিল-ক্রণিক রোগের সৃষ্টি হয় না। তবে নিশ্চিতই ক্রণিক রোগ এবং একিউট রোগের চিকিৎসায় পার্থক্য আছে। আমরা কেবল আমাদের জ্ঞান, কেস টেকিং এর দক্ষতা, অনলাইন সফটওয়্যারে রোগীর গৃহীত লক্ষণাবলী বিশ্লেষণ করে ওষুধ নির্বাচন করি এবং ভাল মানের ওষুধ ব্যবহার করি। আর ১০০% ভরষা করি একমাত্র আল্লাহর উপর। তিনি ব্যতীত কেউ আরোগ্য করতে পারেন না। কখনও না, কখনও না, কখনও না।
হোমিও চিকিৎসার উপকারিতা:
১. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সাধারণত প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি হওয়ায় এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রায় নেই বললেই চলে। ২. ব্যক্তিভেদে চিকিৎসা রোগ নয়, রোগীকে কেন্দ্র করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একজনের জন্য যা কার্যকর, অন্যজনের জন্য তা ভিন্ন হতে পারে। ৩. দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সমস্যার মূল কারণ দূর করে ধীরে ধীরে স্থায়ী সমাধান দেয়। ৪. গোপনীয়তা বজায় রেখে চিকিৎসা যৌন সমস্যা বা গোপন অসুস্থতার ক্ষেত্রেও গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়। ৫. প্রাকৃতিক ও সহজ গ্রহণযোগ্য শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য সহজে গ্রহণযোগ্য, স্বাদে মিষ্টি ও সহজে খাওয়া যায়। ৬. দেহের আত্মরক্ষামূলক ক্ষমতা জাগ্রত করে এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তোলে।
যৌন রোগের সবচেয়ে সফল চিকিৎসা: হোমিওপ্যাথি
যৌন সমস্যা শুধুমাত্র একটি শারীরিক অসুস্থতা নয়, বরং এটি একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস, দাম্পত্য সম্পর্ক ও মানসিক সুস্থতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এ সমস্যাগুলো অনেক সময় গোপনে ভোগান্তির কারণ হয়, কারণ অনেকেই লজ্জা বা সংকোচের কারণে চিকিৎসা নিতে চান না। এ ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি একটি নিরাপদ, কার্যকর এবং সম্মানজনক সমাধান দিতে পারে। কেন হোমিওপ্যাথি যৌন সমস্যায় সবচেয়ে সফল? ১. মূল কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা ২. শরীর ও মন দুটোকে গুরুত্ব দেয় ৩. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন ওষুধ ৪. স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান
চুল পড়া হোমিওতে কি ভালো চিকিৎসা আছে??
হ্যাঁ, চুল পড়ার সমস্যায় হোমিওপ্যাথিতে ভালো ও কার্যকর চিকিৎসা রয়েছে। তবে এটি নির্ভর করে চুল পড়ার মূল কারণের ওপর—যেমন হরমোনজনিত সমস্যা, মানসিক চাপ, অপুষ্টি, থাইরয়েডের সমস্যা, ছত্রাক সংক্রমণ ইত্যাদি। হোমিও চিকিৎসায় চুল পড়ার পেছনের কারণগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়, যেমন: - অতিরিক্ত মানসিক চাপ - দীর্ঘ অসুস্থতা বা জ্বরের পর - হরমোনের পরিবর্তন (যেমন: পিসিওডি, থাইরয়েড) - অ্যানিমিয়া বা পুষ্টির ঘাটতি - গর্ভাবস্থার পর চুল পড়া - ড্যান্ড্রাফ বা স্ক্যাল্প ইনফেকশন - পারিবারিক (জেনেটিক) কারণ
কেন হোমিওতে ভালো ফল মেলে?
হোমিওপ্যাথি হলো এমন এক চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে শুধু রোগের নাম দেখে ওষুধ দেওয়া হয় না— বরং রোগীর সম্পূর্ণ শারীরিক, মানসিক ও আবেগগত দিকগুলো বিবেচনা করা হয়। 🔹 অনেক সময় দেখা যায়, একই রোগে ভুগলেও দুইজন রোগীর লক্ষণ একেবারেই আলাদা। হোমিওপ্যাথি প্রতিটি মানুষের সেই আলাদা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন করে। ফলে চিকিৎসা হয় ব্যক্তিকেন্দ্রিক (Individualized Treatment)। 🔹 হোমিও ওষুধ রোগকে শুধু সাময়িকভাবে চেপে রাখে না, বরং শরীরের ভেতরের প্রতিরোধক্ষমতাকে জাগিয়ে তোলে। যার ফলে রোগের মূল কারণ থেকে সমাধান হয় এবং পুনরায় হওয়ার প্রবণতা কমে আসে। 🔹 এটি শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে— 👉 যেমন, হরমোনের অসামঞ্জস্য, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার দুর্বলতা, মানসিক চাপ বা দীর্ঘমেয়াদি জীবনধারাজনিত সমস্যা। 🔹 সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো— হোমিও চিকিৎসায় সাধারণত কোনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে না। বরং শরীর ও মনের ভেতরকার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে স্থায়ী উন্নতি আনে। ✨ তাই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা হলো একধরনের Safe, Gentle & Holistic Approach, যেখানে রোগ নয়, মানুষটাই আসল গুরুত্ব পায়।

রোগীদের পর্যালোচনা

যারা সেবা নিয়েছেন তাদের কিছু মতামত

কোনো পর্যালোচনা পাওয়া যায়নি...